অপরাজেয় বাংলা কবে উদ্বোধন করা হয়?
-
ক
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
-
খ
২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
-
গ
১ জানুয়ারি ১৯৮০
-
ঘ
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০
ত্রিভূজাকৃতি ভূমির সামান্য কিছু ওপরে বন্দুক কাঁধে নারী ও পুরুষের সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ ও বিজয়ের প্রতীক ‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভভন চত্বরে অবস্থিত। দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশগ্রহনের প্রতিকী চিহ্ন অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯। এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
কটি জাতির ইতিহাস, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের চেতনা শিল্প ও স্থাপত্যের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহন করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি রাজনৈতিক অর্জন নয়, বরং একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও মানবিক চেতনার প্রতিফলন। এই চেতনা ধারণ ও সংরক্ষণের অন্যতম মাধ্যম হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য ও স্মৃতিস্তম্ভ। এগুলো জাতির বীরত্ব, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার মূল্য স্মরণ করিয়ে দেয়।
মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী ভাস্কর্য নির্মাণের পটভূমি
পাকিস্তান আমলে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় সীমাবদ্ধতার কারণে ভাস্কর্য নির্মাণ প্রায় নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীনতার পর সেই বাধা দূর হয় এবং শিল্পীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বহিরাঙ্গনে ভাস্কর্য নির্মাণে আত্মনিয়োগ করেন। ফলে ১৯৭০-এর দশক থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অসংখ্য ভাস্কর্য ও স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে ওঠে।
একনজরে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
| ক্রম | ভাস্কর্যের নাম | অবস্থান | নির্মাতা | বৈশিষ্ট্য / তাৎপর্য |
|---|---|---|---|---|
| ১ | জাগ্রত চৌরঙ্গী | জয়দেবপুর, গাজীপুর | আবদুর রাজ্জাক | বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য; ১৯ মার্চের প্রতিরোধ যুদ্ধের স্মারক |
| ২ | অপরাজেয় বাংলা | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ | সর্বস্তরের মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রতীক |
| ৩ | স্বোপার্জিত স্বাধীনতা | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (টিএসসি) | শামীম সিকদার | পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের চিত্র |
| ৪ | সংশপ্তক | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় | হামিদুজ্জামান খান | অঙ্গ হারিয়েও যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধার দৃঢ়তা |
| ৫ | শাবাশ বাংলাদেশ | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | নিতুন কুণ্ডু | মুক্তিযোদ্ধা, সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত চিত্র |
| ৬ | বিজয় ’৭১ | বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় | শ্যামল চৌধুরী | কৃষক, ছাত্র ও নারীর সম্মিলিত মুক্তিযুদ্ধ |
| ৭ | জাতীয় স্মৃতিসৌধ | সাভার, ঢাকা | সৈয়দ মাইনুল হোসেন | মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সর্বোচ্চ জাতীয় স্মারক |
| ৮ | মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ | মেহেরপুর | তানভীর কবির | অস্থায়ী সরকারের শপথগ্রহণের স্মারক |
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য শুধু শিল্পকর্ম নয়, এগুলো জাতির আত্মপরিচয়, ইতিহাস ও চেতনার ধারক। এসব ভাস্কর্য নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে এবং স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করতে সহায়তা করে। তাই এগুলোর সংরক্ষণ ও যথাযথ মর্যাদা প্রদান আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
Related Question
View All-
ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
-
খ
বিজয় স্মরণী
-
গ
চারুকলা অনুষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
-
ঘ
বুয়েট
-
ক
চিত্রকর্ম
-
খ
ভাস্কর্য
-
গ
ম্যুরাল চিত্র
-
ঘ
মিনার
-
ক
সংশপ্তক
-
খ
অপরাজেয় বাংলা
-
গ
জাগ্রত চৌরঙ্গী
-
ঘ
সাবাস বাংলাদেশ
-
ক
জাগ্রত চৌরঙ্গী
-
খ
অপরাজেয় বাংলা
-
গ
সংশপ্তক
-
ঘ
সাবাস বাংলাদেশ
-
ক
সংশপ্তক
-
খ
অপরাজেয় বাংলা
-
গ
স্বাধীনতার সোপান
-
ঘ
জাগ্রত চৌরঙ্গী
-
ক
হামিদুর রহমান
-
খ
মৃণাল হক
-
গ
শামীম শিকদার
-
ঘ
নভেরা আহমেদ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন